বাচ্চাদের সেরেল্যাক গোপনীয় বিষয়বস্তু কোনটা ভালো-মন্দ ইত্যাদি
প্রথমত বাচ্চাদেরকে যেই সেরেল্যাক খাওয়াই না কেন তা যেন বয়স অনুযায়ী তাকে এডজাস্ট করে তাকে খাওয়ানো হয়। বয়স অনুপাতে বা বয়স না বুঝে খাওয়ানো হয় তাহলে বাচ্চাদের হজম শক্তিতে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।
এতে করে বাচ্চাদের কিডনিতে প্রভাব পড়তে পারে। তাই নিম্নে আলোচনা করা হলো
কোন বয়সে আমরা বাচ্চাদেরকে কি কি সেরেল্যাক খাওয়াতে পারি এবং
কিভাবে বাসাতেই খুব সহজে হোমমেড নেস্কো সেরেল্যাক বানিয়ে নিতে পারি।
পেজ সূচিপত্র ঃবাচ্চাদের সেরেল্যাক গোপনীয় বিষয়বস্তু কোনটা ভালো-মন্দ ইত্যাদি
বাচ্চাদের সেরেল্যাক গোপনীয় বিষয়বস্তু কোনটা ভালো-মন্দ ইত্যাদি
প্রথমত অনেকে চিন্তায় থাকেন যে সেরেল্যাক খাওয়ানো কি ভালো ?কারণ অনেক সময় ডাক্তারে সেরেল্যাক খাওয়ানো সাজেস্ট করেন। তারপর যে সকল বাচ্চাগুলোর এখনো ৬ মাস হয়নি
তাদেরকে কি খাওয়ানো যাবে ? প্রথমত বলি ডাক্তারে যদি সেরেল্যাক সাজেস্ট করেন তাহলে অবশ্যই খাওয়াবেন তা অনুযায়ী এবং ছয় মাসের আগে কোন
সলিড খাবার বাচ্চাকে খাওয়ানো উচিত নয়।
৬ মাসের আগ পর্যন্ত বাচ্চাকে বুকের দুধ অথবা ফর্মুলা দুধ দেওয়াটাই শ্রেয়
কারণ সেরেল্যাকও হলো একটি
সলিড খাবাঅ। আবার যেই সেরেল্যাক আপনারা কিনে খাওয়ান ওতে আগে থেকেই দুধ দেওয়া থাকে তাই তাতে আলাদা করে
বাড়তি কোন দুধ হতে মিশে খাওয়াবেন না । এতে বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে।
তারপর সেরেল্যাকে আগে থেকে চিনি
মিশানো থাকে তাই বাড়তি কোনো চিনি মিশাবেন না এটাতে ক্ষতি হতে পারে। বাচ্চার যখনই
খিদা লাগবে তখনই চেষ্টা করবেন সবসময় সেরেল্যাক না খাইয়ে বাড়ির খাবার খাওয়ানোর।
সেরেল্যাক কোন দিক খেয়াল রেখে কিনে বাচ্চাকে খাওয়াবেন
বাচ্চাদেরকে যদি আপনারা চান যে দিনে তিন বেলায় সেরেল্যাক খাওয়াবেন তো এটা ভালো হতে পারে খারাপও হতে পারে আর এটা নির্ভর করবে আপনার
কেনা সেরেল্যাকের উপর।
তাই সেরেল্যাক যখন কিনবেন
তখনও খেয়াল রাখবেন যে এই সেরেল্যাককের প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকবে আইরন রিচ। অর্থাৎ এর মধ্যে আলাদাভাবে আইরন দেওয়া
আছে বা আইরন ফরটি ফাইভ ফুড।
বাচ্চাকে কোন বয়সে কি পরিমাণ সেরেল্যাক খাওয়াবেন
প্রথমত খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বাচ্চাদের প্রথমে যেগুলো খাবার আমরা বানিয়ে
খাওয়াবো সেগুলো জানো বাচ্চাদের বয়স অনুযায়ী এডজাস্ট হয়। বয়স বুঝে
যদি না খাওয়ানো হয় তাহলে বাচ্চাদের হজমের ওপর খারাপ একটা প্রভাব পড়তে পারে।
কারণ যদি ছয় মাসের আগে কোন বাচ্চাকে একের অধিক কোন খাবার পাউডার বানিয়ে
খাওয়ানো হয় তাহলে ওটা অত্যাধিক প্রোটিন হিসেবে গণ্য করা হয় যেটা বাচ্চার জন্য
ক্ষতিকর।
ছয় মাসের বাচ্চাকে সিঙ্গেল ভাবে যেকোনো একটা শস্য পাউডার খাওয়ানো উচিত।
যেমন শুধু রাইস পাউডার,মুগ ডালের পাউডার,মসুর ডালের পাউডার ইত্যাদি। তারপর
বাচ্চার বয়স যখন সাত মাস থেকে এক বছরের মধ্যে তখন বাচ্চা কে দুটো পাউডার
মিক্সিং খাবার খাওয়াতে পারেন। যেমন ধরেন রাইস পাউডারের সাথে মসুর ডালের পাউডার
অথবা রাইস পাউডারের সাথে মুখের ডালের পাউডার ইত্যাদি। অর্থাৎ কখনোই দুটো
পাউডারের অধিক মিক্সিং কিছুই খাওয়ানো যাবে না এই বয়সে।
তারপর বাচ্চার বয়স যখন এক বছর থেকে দুই বছর তখন থেকে বাচ্চাকে তিনটা পাউডার
মিক্সিং খাওয়াতে পারেন অর্থাৎ তিনটা শস্য মিশ্রণ খাদ্য।
ঘরোয়া ভাবে কিভাবে সেরেল্যাক পাউডার তৈরি করবেন
ঘরোয়া ভাবে সেরেল্যাক বানানোর জন্য প্রথমে ভাতের চাল,মসুর ডাল,মুগের ডাল বা অন্য যেকোনো
খাদ্যশস্য ভালো মতন পানি দিয়ে ধুয়ে ফিল্টার পানিতে এক ঘন্টা
ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই শস্য গুলো শুকিয়ে নিয়ে চুলাতে রোস্ট করে নিন
যাতে করে ভেজা হয়ে না থাকে।
তারপর আলাদা আলাদা করে শস্যগুলোকে গুড়ো করে নিন। এতে করে সিঙ্গেল সিঙ্গেল সেরেল্যাক পাউডার তৈরি হয়ে যাবে।
এরপর পাউডার তৈরি হয়ে গেলে যে কোন একটা শস্য যদি বাচ্চাকে বানিয়ে খাওয়াতে
চান সে ক্ষেত্রে দুই টেবিল চামচ গরম পানিতে মিক্স করে রান্না করে খাওয়াতে
পারেন।আর যদি দুইটা শস্য মিক্সিনে খাওয়াতে চান প্রথম শস্য ২ চামচ আর পরেরটা হাফ
চা চামচ করে গরম পানিতে মিক্স করে খাওয়ায় দিতে পারেন।আর যদি আপনি আরেকটু পাতলা
করে খাওয়াতে চান তাহলে ফর্মুলা মিল্ক অথবা বেস্ট মিল্ক মিশিয়ে পাতলা করে নিতে
পারেন।
দ্য গ্র্যান্ড গাইড বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url